টাইপ 1 ডায়াবেটিস: টাইপ 1 ডায়াবেটিস থাকা মানুষজনকে ইনসুলিন নিতেই হয় কারণ তাঁদের শরীরে প্রাকৃতিকভাবে পর্যাপ্ত পরিমাণে ইনসুলিন উত্পাদিত হয় না।
টাইপ 2 ডায়াবেটিস: যদিও টাইপ 2 ডায়াবেটিস থাকা ব্যক্তিদের শরীরে ইনসুলিন তৈরী হয়, তাহলেও তাঁদের শরীর এটি ব্যবহার করতে অক্ষম হয়।2 টাইপ 2 ডায়াবেটিস থাকা কিছু ব্যক্তি ডায়েট ও শরীরচর্চা করে তাঁদের রক্ত শর্করার স্তর নিয়ন্ত্রণ করেন বটে, কিন্তু অন্যদের মুখে ওষুধ গ্রহণ করার প্রয়োজন হয়। কিছু ব্যক্তির ইনসুলিনও লাগে।3
গর্ভাবস্থাকালীন ডায়াবেটিস: কিছু মহিলাদের হয়তো প্রথমবার গর্ভবতী হয়ে পড়ার পরে ডায়াবেটিস ধরা পড়তে পারে।2 এইরকম ক্ষেত্রে, নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ ও স্বাস্থ্যকর ডায়েটই রক্ত শর্করার স্তর নিয়ন্ত্রণের পক্ষে পর্যাপ্ত হতে পারে। যাইহোক, রক্ত শর্করার মাত্রা যদি শারীরিক কার্যকলাপ ও ডায়েটে নিয়ন্ত্রিত না হয়, তাহলে হয়তো ইনসুলিন বা কিছু ডায়াবেটিসের ওষুধ দেওয়া হতে পারে। ডায়াবেটিসের অনেক ওষুধই গর্ভাবস্থাকালীন বা স্তন্যপান করানোর সময়ে ব্যবহার করানো হয়, তাই আপনার পক্ষে কোনটি কার্যকর হবে তা জানতে চিকিত্সককে জিজ্ঞাসা করাই ভালো।1,4