?পিত্তথলির পাথর বা গলব্লাডার স্টোন:
রক্তে কোলেস্টেরল বাড়লে বা বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে পিত্তরস ক্ষরণে বাধা পরে। তখন সেই পিত্তরস পিত্তথলিতে জমে পাথর তৈরি করে।
❇️প্রকারভেদ:
১.কোলেস্টেরল পিত্তথলি পাথর:
পিত্তথলিতে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে যায়। এই পিত্তপাথরগুলি প্রধানত দ্রবীভূত কোলেস্টেরল দ্বারা গঠিত, তবে অন্যান্য উপাদান থাকতে পারে। এই পাথর হলুদ রঙের হয়ে থাকে।
২.পিগমেন্ট পিত্তথলি পাথর:
পিত্তথলিতে যখন খুব বেশি বিলিরুবিন থাকে তখন এ ধরনের পিত্ত পাথর গঠন হয়। এই পিত্তপাথর গাঢ় বাদামী বা কালো রঙের হয়ে থাকে।
❇️পিত্তথলিতে পাথর জমার কারণ:
১) টানা অনেকটা সময় খালি পেটে থাকা।
২) ওজন বৃদ্ধি পাওয়া।
৩) চল্লিশের পর এই রোগের আশঙ্কা বেশি।
৪) ডায়াবেটিস।
৫) বংশগত কারন।
৬) শরীরে বা পিত্তে কোলেস্টেরল বেশি বেড়ে যাওয়া।
৭) শরীরে বিলিরুবিন অতিরিক্ত পরিমানে বেড়ে যাওয়া।
❇️লক্ষন:
১.পেটে তীব্র ব্যথা
২.মশলা বা তেল যুক্ত খাবার খেলে পেটের ব্যথা বৃদ্ধি এবং বমি
৩.প্রস্রাবের রং পরিবর্তন গাঢ় খয়েরী বর্ণের।
৪.কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা এবং ব্যথা ডান দিক থেকে শুরু হয়ে ডান কাঁধ অবদি ছড়িয়ে পড়া।
৫.ত্বক এবং চোখ সাদা হয়ে যাওয়া
৬.সাথে জন্ডিসের লক্ষণ গুলো প্রকাশ পায়।
❇️প্রতিকার :
✅নিয়মিত ফাইবার যুক্ত খাবার খাওয়া
✅ওজন কমানো
✅অতিরিক্ত মশলা,তেল যুক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা।
⚕️হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা :
✔️ক্যালক্যারিয়া কার্ব,
✔️নাক্স ভমিকা,
✔️চেলিডোনিয়াম,
✔️লাইকোপোডিয়াম,
✔️নেট্রাম সালফ।
রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কখনোই হোমিওপ্যাথি মেডিসিন নিজে নিজে ব্যবহার বা সেবন করবেন না।
সঠিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় পিত্তথলির পাথর পরিপূর্ণ স্থায়ীভাবে নির্মূল হয়ে যায়৷
আপনার বা আপনার পরিবারের যে কারো পিত্তথলির পাথর সমস্যা থাকলে আপনি বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি হেলথ্ সেন্টারের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রেজিস্টার্ড গ্রাজুয়েট হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন।
নির্ভেজাল সঠিক ও নির্ভুল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করুন, সুস্থ থাকুন।
অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক দ্বারা পরিচালিত বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি হেলথ সেন্টার।সরাসরি চিকিৎসকের অ্যাপোয়েন্টমেন্ট এর জন্য কল করুন এই নাম্বারে